মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
‘নির্বাচনের পরিবেশ নেই’ এবং ‘নিজের ও কর্মীদের জীবনের শঙ্কা আছে’ দাবি স্বতন্ত্র প্রার্থীর দ্রব্যমূল্যের ব্যর্থতার দায়িত্ব নেব না : উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ভোটের দিন ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ টাইমসের সাংবাদিক তুলে নেওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট : প্রস্তুতি সম্পন্ন ইতিহাসের সবচেয়ে নিরাপদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে : আইজিপি নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ৪ দিন বন্ধ থাকছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব না দিলে ৭ বছরের জেল সংসদ নির্বাচন: আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল, কাল পরিবহন চলাচল বন্ধ নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে আগামী নির্বাচনে দেশবাসীর সমর্থন চেয়েছেন তারেক রহমান ‘রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের’: নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা দিলেন জামায়াত আমির জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ : দলমত নির্বিশেষে নিরাপদ দেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের মোবাইল নিতে বাধা নেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

দ্রব্যমূল্যের ব্যর্থতার দায়িত্ব নেব না : উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত

দ্রব্যমূল্যের ব্যর্থতার দায়িত্ব নেবেন না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেছেন, আমরা মোটেও ব্যর্থতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি না।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে নেওয়া কার্যক্রম ও অর্জন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বাজারে সব জিনিসের দামে ঊর্ধ্বগতি, নিয়ন্ত্রণের বাইরে সব পণ্য, সরকার হিসেবে সার্থক হয়েছেন নাকি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে বিদায় নিচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, ব্যর্থতার দায় নিয়ে বিদায় নিচ্ছি না। মোটেও ব্যর্থতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি না। আমরা মনে করি মাছের দাম বেশি বা আসলে আমাদের কাজ কিন্তু দামের পর্যায়ে না।

তিনি বলেন, আমাদের কাজ হলো উৎপাদন আহরণ এটাকে নিশ্চিত করা, এটাকে নিরাপদ করা। বাজারে দামের ব্যাপারটা সত্যি কথা যদি বলেন, আমাদের ম্যান্ডেটের মধ্যে পড়ে না।

তিনি আরও বলেন, আরো অনেক এক্সটার্নাল ফ্যাক্টরস আছে যেগুলোর কারণে দাম বাড়ে। ফলে ওই দামের ব্যর্থতার দায়িত্ব আমি নেব না। দুই নম্বর হলো যে গরুর মাংসের দামের কথা ওটা কিন্তু উৎপাদনের ব্যাপার আছে। আমরা চেয়েছি যে আমাদের দেশে যা উৎপাদন সেটা দিয়ে আমরা চালাই।

উপদেষ্টা বলেন, এখনও খামারিদের ৭০ শতাংশ দাম বাড়ে খাদ্যের জন্য। আমরা সেখানে কাজ করছি, কস্ট অব প্রোডাকশন যদি আমরা কমাতে পারি। তবে এই ১৫ মাস বা ১৬ মাস দিয়ে যদি আপনি বড় ধরনের সমস্যার সমাধান চান নিশ্চয় হবে না। আমাদের কাজ উৎপাদন নিরাপদ করা যেটা আমরা করতে পেরেছি। কিন্তু আমরা কোন দিকে এগোচ্ছি সেটা যদি দেখেন আমি বলব আমরা সফল হয়েছি।

সূত্র: বাংলাদেশ টাইমস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর