গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ উপলক্ষে সারা দেশে পাঁচ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা থেকে ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এ নিষেধাজ্ঞা ভোট গ্রহণের দিন বৃহস্পতিবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এছাড়া মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোট গ্রহণের পরদিন শুক্রবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
ইসি জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। পাশাপাশি জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন- যেমন ওষুধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা, সংবাদপত্র পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচল করতে পারবে। এছাড়া বিমানযাত্রার টিকিট বা সংশ্লিষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারলে যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়া-আসার জন্য ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলের অনুমতি থাকবে। দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন এবং দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও যানবাহন চলাচলে বাধা থাকবে না।
নির্বাচনী কাজে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁর নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি করে গাড়ি (জিপ, কার, মাইক্রোবাসসহ ছোট আকৃতির যানবাহন) রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন থাকলে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা অন্য ব্যক্তির মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
ইসি আরও জানিয়েছে, টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি এবং বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তজেলা বা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সংযোগ সড়কগুলোতেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এদিকে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (এমটিসিএল) জানিয়েছে, ভোট গ্রহণের দিন মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। ভোটারদের যাতায়াত সহজ করতে ওইদিন ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে।