সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইরান ইস্যুতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬ষ্ঠ দিনের আপিল শুনানি চলছে আপিল দায়েরে ইসির ৭ নির্দেশনা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ১৫ জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে মাধ্যমিকের সব বই পৌঁছাবে: এনসিটিবি অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার সময় ২৭৩ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী ‘রোডম্যাপ অনুসারে বিচার বিভাগকে এগিয়ে নেওয়া হবে’ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বললেন, ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট মাদুরো বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ দেশে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় পৌনে ৮ লাখ প্রতিষ্ঠান দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও নিজেই আতিথেয়তা করেন খালেদা জিয়া : হামিন আহমেদ প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে তারেক রহমানের ধন্যবাদ মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তির নতুন সময়সূচি ঘোষণা শীত নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস ‘আজই এনআইডি পাবেন তারেক রহমান’

বাল্যবিবাহের অপরাধ আমলে নেওয়ার সময়সীমা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

বিশেষ প্রতিবেদক
আপডেট : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৩ অপরাহ্ন
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। (ছবি: সংগৃহীত)

দুই বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিবাহের অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত বাধা কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ২ বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিবাহের অপরাধ আমলে গ্রহণে আইনগত বাধা কেন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রোববার (২ নভেম্বর) বিচারপতি কাজী জিনাত হক এবং বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট তানজিলা রহমান।

এর আগে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ধারা ১৮-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, বাল্যবিবাহ সংঘটনের দুই বছর পর কোনো অভিযোগ আদালত আমলে নিতে পারবে না।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, বাল্যবিবাহের শিকার শিশুরা প্রায়ই অল্পবয়সী ও মানসিকভাবে অসহায় থাকে। তারা তখন অভিযোগ জানাতে পারে না। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর যখন বিচার চায়, তখন এই ১৮ ধারা তাদের পথ রুদ্ধ করে দেয়। এটি রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার প্রদানের দায়িত্বের পরিপন্থি। এটি এমন একটি আইনি বাধা যা বাস্তবে অপরাধীকে রক্ষা করে এবং ভুক্তভোগীকে বঞ্চিত করে। এটি সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আইনের সমান সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের পরিপন্থি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর