বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইরান ইস্যুতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬ষ্ঠ দিনের আপিল শুনানি চলছে আপিল দায়েরে ইসির ৭ নির্দেশনা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ১৫ জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে মাধ্যমিকের সব বই পৌঁছাবে: এনসিটিবি অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার সময় ২৭৩ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী ‘রোডম্যাপ অনুসারে বিচার বিভাগকে এগিয়ে নেওয়া হবে’ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বললেন, ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট মাদুরো বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ দেশে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় পৌনে ৮ লাখ প্রতিষ্ঠান দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও নিজেই আতিথেয়তা করেন খালেদা জিয়া : হামিন আহমেদ প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে তারেক রহমানের ধন্যবাদ মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তির নতুন সময়সূচি ঘোষণা শীত নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস ‘আজই এনআইডি পাবেন তারেক রহমান’

‘অনেকেই ভাঙার কাজে ব্যস্ত, গড়ায় কাউকে পাওয়া যায় না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫, ৮:১১ অপরাহ্ন
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। ফাইল ছবি

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, অনেকেই এখনো ভাঙার কাজে ব্যস্ত। কিন্তু গড়ার কাজে কাউকে পাওয়া যায় না।  অথচ পুরোনো বন্দোবস্ত মচকে গেছে। এখন আর এটাকে ভাঙা যাবে না বরং ভাঙতে গেলে আরও বেঁকে যাবে, বেঁকে যাচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আরও বলেন, ‘আবার সময় আসবে যখন, তখন ভাঙা যাবে। কিন্তু, এক্ষণে গড়ার কাজে আমাদের মনোনিবেশ করা উচিত।’

শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।  মাহফুজের পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-

‘সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও বিচারে সহযোগিতা করুন। কিন্তু, নাগরিক হিসাবে সবাই মানবাধিকারের পক্ষে থাকুন। কোনো এলাকাকে ‘ঘেটো’ Ghetto বানানোর চেষ্টা করবেন না। এছাড়া, গোপালগঞ্জের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ নিম্নবর্গের হিন্দু। তারা লীগের আমলে নিপীড়িত ও বঞ্চিত হয়েছেন। আমাদের উচিত, বাংলাদেশজুড়ে লীগের হাতে নিপীড়িত ও বঞ্চিতদের সঙ্গে মৈত্রী করা।

হাসিনার পরাজয় রাজনৈতিক না কেবল, নৈতিক ও বটে। নৈতিক পরাজয়ের পর তার রাজনৈতিক পরাজয় ঘটেছিল। ফলে, আমরা হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়ে নৈতিক উচ্চতা হারাতে পারি না। গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে আমরা মানবিক মর্যাদা, বৈষম্যহীনতা আর সুবিচারের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করা আমাদের কর্তব্য।

অনেকেই এখনো ভাঙার কাজে ব্যস্ত। কিন্তু গড়ার কাজে কাউকে পাওয়া যায় না। অথচ, পুরোনো বন্দোবস্ত মচকে গেছে। এখন আর এটাকে ভাঙা যাবে না বরং ভাঙতে গেলে আরও বেঁকে যাবে, বেঁকে যাচ্ছে। আবার সময় আসবে যখন, তখন ভাঙা যাবে। কিন্তু, এক্ষণে গড়ার কাজে আমাদের মনোনিবেশ করা উচিত।

গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের অপ্রস্তুতি ছিল, বিহ্বলতা আর অনভিজ্ঞতা মিলে আমরা ফ্যাসিবাদী বন্দোবস্তের পূর্ণাঙ্গ বিলোপ ঘটাতে পারিনি। কিন্তু এ সুযোগে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী আকারে নিজেদের হাজির করা ও জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজটা করতে পারলে আমরা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বিলোপের পথে হাঁটতে পারব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর