শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইরান ইস্যুতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬ষ্ঠ দিনের আপিল শুনানি চলছে আপিল দায়েরে ইসির ৭ নির্দেশনা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ১৫ জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে মাধ্যমিকের সব বই পৌঁছাবে: এনসিটিবি অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার সময় ২৭৩ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী ‘রোডম্যাপ অনুসারে বিচার বিভাগকে এগিয়ে নেওয়া হবে’ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বললেন, ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট মাদুরো বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ দেশে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় পৌনে ৮ লাখ প্রতিষ্ঠান দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও নিজেই আতিথেয়তা করেন খালেদা জিয়া : হামিন আহমেদ প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে তারেক রহমানের ধন্যবাদ মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তির নতুন সময়সূচি ঘোষণা শীত নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস ‘আজই এনআইডি পাবেন তারেক রহমান’

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো চিন্ময়কে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ১:৪১ অপরাহ্ন

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় কারাবন্দি ইসকনের বহিষ্কৃত সংগঠক চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৫ মে) চট্টগ্রামের ৬ষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন ভার্চুয়াল শুনানি শেষে পুলিশের করা আবেদন মঞ্জুর করেন।

এ বিষয়ে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, আলিফ হত্যা মামলায় পুলিশের আবেদন অনুযায়ী চিন্ময়কে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দিয়েছেন আদালত। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাকে সরাসরি আদালতে হাজির না করে ভার্চুয়ালি হাজির করা হয়।

চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া চারটি মামলার মধ্যে এটি একটি। অন্য তিনটি মামলা পুলিশ ও আইনজীবীদের ওপর হামলা, বিচারকাজে বাধা এবং আদালত এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। এই তিন মামলার শুনানি হবে মঙ্গলবার (৬ মে)।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার হন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। পরদিন চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এরপর আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করে চিন্ময়ের অনুসারীরা। তারা প্রিজন ভ্যান আটকে রেখে পুলিশকে বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

এ সময় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে চট্টগ্রাম আদালত এলাকা থেকে লালদিঘী ও কোতোয়ালি থানা পর্যন্ত। ওই সহিংসতায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে। নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দেখানো ও তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে চিন্ময় দাস ও তার অনুসারীদের ভূমিকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর