মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভিশন তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ জ্বালানি খাতে শেভরনের আরও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি ঢাকা উত্তর সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থী আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন বিদ্যুৎ সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে মনে হচ্ছে : রিজভী ওমেন্স ফান্ড এশিয়া লিগ্যাল ফেলোশিপ পেলেন বাংলাদেশী আইনজীবী ইফাত হাসান শাম্মি অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে প্রধানমন্ত্রীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন আজ থেকে চালু ভারতের টুরিস্ট ভিসা, আবেদন করবেন যেভাবে ছয় দিনের প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী মাদক প্রতিরোধে দুই পুরস্কার পেল ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনমিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বেসামরিক শাখায় ৫৪৮ নিয়োগ

জ্ঞানহীন উপদেষ্টাদের ভুলের খেসারত দিচ্ছেন

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৩:১১ পূর্বাহ্ন
সংগৃহীত ছবি

​ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দুই শীর্ষ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের কারিগরি জ্ঞান এবং তাদের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন আন্তর্জাতিক পারমাণবিক বিশেষজ্ঞরা।
মার্কিন গণমাধ্যম ‘এমএস নাউ’ এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই দুই উপদেষ্টার ইরান বিষয়ক মূল্যায়ন ছিল বাস্তবতাবিবর্জিত এবং প্রযুক্তিগত ভুলে ভরা, যা মূলত কোনো প্রমাণ ছাড়াই দেশটিকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে তেহরানের ৬০ বছরের পুরোনো একটি গবেষণা রিয়্যাক্টরকে অস্ত্র-মানের ইউরেনিয়াম মজুতের গোপন আস্তানা হিসেবে দাবি করাকে বিশেষজ্ঞরা চরম হাস্যকর ও অবিশ্বাস্য বলে মনে করছেন।
​পারমাণবিক বিজ্ঞানের সাধারণ সূত্র অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ৩-৫ শতাংশ এবং বোমা তৈরির জন্য ৯০ শতাংশের বেশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রয়োজন হয়। তেহরানের রিয়্যাক্টরটি মূলত চিকিৎসা ও গবেষণার কাজে ২০ শতাংশের কম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহারের জন্য নকশা করা।
অবসরপ্রাপ্ত পারমাণবিক পদার্থবিদ ক্লাউস মন্টেনন এবং ভিয়েনা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক এলিনা সোকোভা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, একটি চালু রিয়্যাক্টরকে কখনোই মজুতাগার হিসেবে ব্যবহার করা যায় না এবং এই রিয়্যাক্টরের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কোনো সক্ষমতাই নেই। ট্রাম্প প্রশাসনের এই বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যাকে তারা ‘প্রযুক্তিগত ভুল’ ও ‘তথ্যাদি গুলিয়ে ফেলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
​জেনেভায় অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় কুশনার ও উইটকফ কোনো পারমাণবিক বিশেষজ্ঞকে সাথে রাখেননি এবং পরবর্তীতে ভিয়েনার প্রযুক্তিগত আলোচনা থেকেও যুক্তরাষ্ট্র বিরত থাকে।
নিজের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে স্টিভ উইটকফ দাবি করেছেন যে, বিশেষজ্ঞ না হলেও পড়াশোনার মাধ্যমে তার আলোচনার সক্ষমতা রয়েছে।
সামরিক অভিযান শুরুর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের কাছে থাকা ৪৬০ কেজি ইউরেনিয়াম দিয়ে ১১টি বোমা তৈরি সম্ভব। অথচ মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকের মতে, ইরান এই ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের প্রস্তাবও দিয়েছিল।
তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ২০১৮ সালে ট্রাম্প পরমাণু চুক্তি (জেসিপিওএ) থেকে সরে যাওয়ার পরই তারা সমৃদ্ধকরণ শুরু করে। কিন্তু সমঝোতার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা শুরু হওয়ায় আলোচনার সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর