বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জ্ঞানহীন উপদেষ্টাদের ভুলের খেসারত দিচ্ছেন ঈদযাত্রায় মানুষের সেবা ও যানজট নিরসনে শ্রমিকদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে : শিমুল বিশ্বাস ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ডিএসসিসি’র তৎপরতা, সায়েদাবাদে অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত আজ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ : শামা ওবায়েদ জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী নতুন নেতৃত্বে ইসরাইলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান নতুন নেতা মোজতবা খামেনিকে স্বাগত জানাল ইরানের নাগরিকরা ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা বনাম জনকল্যাণ: বিনিয়োগের আড়ালে কার স্বার্থ রক্ষা হলো? ৫ মার্চ পর্যন্ত কাতার-দুবাইসহ বিমানের ছয় রুটের সব ফ্লাইট বাতিল অভিনন্দন সম্বলিত বিলবোর্ড-ব্যানার দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরানে পাঁচশর বেশি জায়গায় হামলায় নিহত বেড়ে প্রায় ৮০০ ‘বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক ভারত’

জ্ঞানহীন উপদেষ্টাদের ভুলের খেসারত দিচ্ছেন

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৩:১১ পূর্বাহ্ন
সংগৃহীত ছবি

​ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দুই শীর্ষ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের কারিগরি জ্ঞান এবং তাদের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন আন্তর্জাতিক পারমাণবিক বিশেষজ্ঞরা।
মার্কিন গণমাধ্যম ‘এমএস নাউ’ এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই দুই উপদেষ্টার ইরান বিষয়ক মূল্যায়ন ছিল বাস্তবতাবিবর্জিত এবং প্রযুক্তিগত ভুলে ভরা, যা মূলত কোনো প্রমাণ ছাড়াই দেশটিকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে তেহরানের ৬০ বছরের পুরোনো একটি গবেষণা রিয়্যাক্টরকে অস্ত্র-মানের ইউরেনিয়াম মজুতের গোপন আস্তানা হিসেবে দাবি করাকে বিশেষজ্ঞরা চরম হাস্যকর ও অবিশ্বাস্য বলে মনে করছেন।
​পারমাণবিক বিজ্ঞানের সাধারণ সূত্র অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ৩-৫ শতাংশ এবং বোমা তৈরির জন্য ৯০ শতাংশের বেশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রয়োজন হয়। তেহরানের রিয়্যাক্টরটি মূলত চিকিৎসা ও গবেষণার কাজে ২০ শতাংশের কম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ব্যবহারের জন্য নকশা করা।
অবসরপ্রাপ্ত পারমাণবিক পদার্থবিদ ক্লাউস মন্টেনন এবং ভিয়েনা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক এলিনা সোকোভা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, একটি চালু রিয়্যাক্টরকে কখনোই মজুতাগার হিসেবে ব্যবহার করা যায় না এবং এই রিয়্যাক্টরের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কোনো সক্ষমতাই নেই। ট্রাম্প প্রশাসনের এই বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যাকে তারা ‘প্রযুক্তিগত ভুল’ ও ‘তথ্যাদি গুলিয়ে ফেলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
​জেনেভায় অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় কুশনার ও উইটকফ কোনো পারমাণবিক বিশেষজ্ঞকে সাথে রাখেননি এবং পরবর্তীতে ভিয়েনার প্রযুক্তিগত আলোচনা থেকেও যুক্তরাষ্ট্র বিরত থাকে।
নিজের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে স্টিভ উইটকফ দাবি করেছেন যে, বিশেষজ্ঞ না হলেও পড়াশোনার মাধ্যমে তার আলোচনার সক্ষমতা রয়েছে।
সামরিক অভিযান শুরুর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের কাছে থাকা ৪৬০ কেজি ইউরেনিয়াম দিয়ে ১১টি বোমা তৈরি সম্ভব। অথচ মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকের মতে, ইরান এই ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের প্রস্তাবও দিয়েছিল।
তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ২০১৮ সালে ট্রাম্প পরমাণু চুক্তি (জেসিপিওএ) থেকে সরে যাওয়ার পরই তারা সমৃদ্ধকরণ শুরু করে। কিন্তু সমঝোতার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা শুরু হওয়ায় আলোচনার সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর