শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন কপ সম্মেলনে যোগ দিতে ৯ নভেম্বর তুরস্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী সীমান্তের ওপার থেকে গার্মেন্টস শিল্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা: প্রধানমন্ত্রী ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখাল ডিবি শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না : হুমায়ুন কবির ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী পরীমণি ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগ নবাবগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৩ কর্মী গ্রেফতার দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হাসিনা-কামালের সম্পত্তি সরকারের হেফাজতে নেওয়ার উদ্যোগ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান মানিক পশারীর দাফনে বাধা : মুক্তিযোদ্ধাদের নিন্দা ৬১ বসন্তে কিং খান ব্যারিস্টার ফুয়াদকে তলব করলেন ট্রাইব্যুনাল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের সুযোগ নেই : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

ইউক্রেনে শান্তি আলোচনায় প্রয়োজন হবে ইউরোপকে: পুতিন

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ৬:২০ অপরাহ্ন

ইউক্রেনে শান্তি আলোচনায় ইউরোপকেও প্রয়োজন হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ সময় তিনি মস্কো ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক উন্নয়নে করার কথা বলেন। তাছাড়া যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি দূরের বিষয়বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। খবর রয়টার্সের।

পুতিন বলেছেন, ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতকে শুধু আবেগ দিয়ে নয় বরং যুক্তিসঙ্গতভাবে মোকাবিলা করছেন। তবে ট্রাম্প যত তাড়াতাড়ি যুদ্ধ বন্ধ করতে চান। তত তাড়াতাড়ি এটি শেষ নাও হতে পারে।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেন যুদ্ধের তিন বছর পূর্ণ হয়েছে। এই সংঘাতে হাজার হাজার সেনা নিহত হয়েছেন। গৃহহীন হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ হতে পারে। তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনা প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, এখনো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়নি। তবে আমরা এই বিষয়ে একমত হয়েছি। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই আমরা ইউরোপীয় দেশগুলোর অংশগ্রহণ দরকার।

যুদ্ধবন্ধে গত সপ্তাহে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার বৈঠকে ইউরোপের দেশগুলোকে জানানো হয়নি।

যদিও পুতিন বলেছেন, রিয়াদে আলোচনায় ইউরোপের কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ সেখানে শুধু মস্কো এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে আস্থা স্থাপনে নজর দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর