‘নির্বাচনের পরিবেশ নেই’ এবং ‘নিজের ও কর্মীদের জীবনের শঙ্কা আছে’ দাবি করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাগেরহাট-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (হরিণ প্রতীক) কাজী খায়রুজ্জামান শিপন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে করে তিনি এ ঘোষণা দেন। এর আগে রবিবার ( ৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোবাইল ফোনে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে মোরেলগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন।
কাজী খায়রুজ্জামান শিপন বলেন, ‘আপনারা জানেন কয়েকদিন ধরে আমাকে এবং আমার নেতাকর্মীকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমাকে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মজিদ জব্বারকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে। সার্বিক বিষয়ে এই নির্বাচনে থাকলে আমার ও আমার নেতাকর্মীদের জীবনের শঙ্কা রয়েছে। তাই আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ২০১৮ সালেও বিএনপির প্রার্থী ছিলাম। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য হুমকি-ধমকি অব্যাহতভাবে দিচ্ছে। এমনকি জামায়াত প্রার্থীর অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় মনে করি, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। প্রশাসনের লোকজন আমাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করলেও, তারা পারেনি। এই অবস্থায় আমরা মনে করি, প্রত্যন্ত এলাকা মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা উপজেলায় সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তাই
আমরা নির্বাচনে প্রার্থিতার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।’
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করার অপরাধে গত ২১ জানুয়ারি কাজী খায়রুজ্জামান শিপনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়াও বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে, জামায়াতের অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওমর ফারুক নূরী, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) আব্দুল লতিফ খান নির্বাচন করছেন।
সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন