সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে প্রধানমন্ত্রীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন আজ থেকে চালু ভারতের টুরিস্ট ভিসা, আবেদন করবেন যেভাবে ছয় দিনের প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী মাদক প্রতিরোধে দুই পুরস্কার পেল ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনমিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বেসামরিক শাখায় ৫৪৮ নিয়োগ এই সেই আমার বান্ধবীরা: পূর্ণিমা বিরোধী দলের মধ্যেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে: রিজভী চার মোবাইল অপারেটরের কাছে ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪ জন আটক নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আ. লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম হজের খরচ কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

‘অনেকেই ভাঙার কাজে ব্যস্ত, গড়ায় কাউকে পাওয়া যায় না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫, ৮:১১ অপরাহ্ন
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। ফাইল ছবি

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, অনেকেই এখনো ভাঙার কাজে ব্যস্ত। কিন্তু গড়ার কাজে কাউকে পাওয়া যায় না।  অথচ পুরোনো বন্দোবস্ত মচকে গেছে। এখন আর এটাকে ভাঙা যাবে না বরং ভাঙতে গেলে আরও বেঁকে যাবে, বেঁকে যাচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আরও বলেন, ‘আবার সময় আসবে যখন, তখন ভাঙা যাবে। কিন্তু, এক্ষণে গড়ার কাজে আমাদের মনোনিবেশ করা উচিত।’

শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।  মাহফুজের পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-

‘সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও বিচারে সহযোগিতা করুন। কিন্তু, নাগরিক হিসাবে সবাই মানবাধিকারের পক্ষে থাকুন। কোনো এলাকাকে ‘ঘেটো’ Ghetto বানানোর চেষ্টা করবেন না। এছাড়া, গোপালগঞ্জের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ নিম্নবর্গের হিন্দু। তারা লীগের আমলে নিপীড়িত ও বঞ্চিত হয়েছেন। আমাদের উচিত, বাংলাদেশজুড়ে লীগের হাতে নিপীড়িত ও বঞ্চিতদের সঙ্গে মৈত্রী করা।

হাসিনার পরাজয় রাজনৈতিক না কেবল, নৈতিক ও বটে। নৈতিক পরাজয়ের পর তার রাজনৈতিক পরাজয় ঘটেছিল। ফলে, আমরা হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়ে নৈতিক উচ্চতা হারাতে পারি না। গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে আমরা মানবিক মর্যাদা, বৈষম্যহীনতা আর সুবিচারের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করা আমাদের কর্তব্য।

অনেকেই এখনো ভাঙার কাজে ব্যস্ত। কিন্তু গড়ার কাজে কাউকে পাওয়া যায় না। অথচ, পুরোনো বন্দোবস্ত মচকে গেছে। এখন আর এটাকে ভাঙা যাবে না বরং ভাঙতে গেলে আরও বেঁকে যাবে, বেঁকে যাচ্ছে। আবার সময় আসবে যখন, তখন ভাঙা যাবে। কিন্তু, এক্ষণে গড়ার কাজে আমাদের মনোনিবেশ করা উচিত।

গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের অপ্রস্তুতি ছিল, বিহ্বলতা আর অনভিজ্ঞতা মিলে আমরা ফ্যাসিবাদী বন্দোবস্তের পূর্ণাঙ্গ বিলোপ ঘটাতে পারিনি। কিন্তু এ সুযোগে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী আকারে নিজেদের হাজির করা ও জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজটা করতে পারলে আমরা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বিলোপের পথে হাঁটতে পারব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর