রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর, বাধা নেই কারামুক্তিতে বৃহস্পতিবার বেশ কিছু ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ট্রাম্পের কঠোর হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি চায় না ইরান জ্ঞানহীন উপদেষ্টাদের ভুলের খেসারত দিচ্ছেন ঈদযাত্রায় মানুষের সেবা ও যানজট নিরসনে শ্রমিকদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে : শিমুল বিশ্বাস ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ডিএসসিসি’র তৎপরতা, সায়েদাবাদে অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত আজ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ : শামা ওবায়েদ জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী নতুন নেতৃত্বে ইসরাইলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান নতুন নেতা মোজতবা খামেনিকে স্বাগত জানাল ইরানের নাগরিকরা ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা বনাম জনকল্যাণ: বিনিয়োগের আড়ালে কার স্বার্থ রক্ষা হলো? ৫ মার্চ পর্যন্ত কাতার-দুবাইসহ বিমানের ছয় রুটের সব ফ্লাইট বাতিল

নায়ক মান্নার মৃত্যু : দ্রুত বিচার চাইতে হাইকোর্টে তার স্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩, ১:৫৯ অপরাহ্ন

বাংলা চলচ্চিত্রের সুপারস্টার চিত্রনায়ক এস এম আসলাম তালুকদার মান্নার অবহেলাজনিত মৃত্যুতে দায়ের করা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তার স্ত্রী শেলী কাদের।

রোববার (৬ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শেলী কাদের বলেন, ২০০৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইউনাইটেড হাসপাতালের ছয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ এনে মামলা করেছি। এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। আমি মান্না হত্যার বিচার চাই। ন্যায় বিচার চাই। মান্না হত্যার ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

২০০৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ইউনাইটেড হাসপাতালের ছয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ এনে মামলা করেন নায়ক মান্নার শ্যালক রেজা কাদের। পরে এ মামলার বিচারবিভাগীয় তদন্ত হয়।

বিচারবিভাগীয় তদন্তে প্রাথমিকভাবে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম ২০০৯ সালের ২৮ জানুয়ারি ছয় ডাক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরদিনই তারা হাইকোর্টে জামিনের জন্য গেলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাদের আট সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের আদেশ দেন।

ওই বছরের ১৬ মার্চ চিকিৎসকরা আত্মসর্পণ করলে ৫০ হাজার টাকা বন্ডে স্বাক্ষর করে জামিন লাভ করেন। এরপর ২০০৯ সালের ১৮ অক্টোবর ছয় ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বিশেষ দায়রা জজ ফিরোজ আলম। এরপর এক, দুই ও তিন নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য থাকা দিনেই সংশ্লিষ্ট বিচারক বদলি হয়ে যান। থেমে যায় সাক্ষ্যগ্রহণ।

এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। কিন্তু সেই রিট আবেদনের শুানানিও শুরু করছেন না আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। ইতোমধ্যে এ বছর (২০১১ সালে) শুনানির জন্য ১৫ কার্যদিবস ধার্য থাকলেও আসামিপক্ষ শুনানি না করে সময়ক্ষেপণ করছেন বলে অভিযোগ করেন মান্নার মামলার আইনজীবী ড. ব্যারিস্টার খন্দকার মুহাম্মদ মুশফিকুল হুদা।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে কিছুটা অসুস্থ বোধ করায় গাড়ি চালিয়ে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে যান মান্না। ওই হাসপাতালে যাওয়াই ছিল তার জীবনের শেষ যাওয়া। সেদিন ওই হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহলোয় তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর