বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে প্রধানমন্ত্রীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন আজ থেকে চালু ভারতের টুরিস্ট ভিসা, আবেদন করবেন যেভাবে ছয় দিনের প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী মাদক প্রতিরোধে দুই পুরস্কার পেল ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনমিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বেসামরিক শাখায় ৫৪৮ নিয়োগ এই সেই আমার বান্ধবীরা: পূর্ণিমা বিরোধী দলের মধ্যেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে: রিজভী চার মোবাইল অপারেটরের কাছে ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪ জন আটক নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আ. লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম হজের খরচ কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন ঋণসীমা বাড়ানোয় কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : বুধবার, ৩১ মে, ২০২৩, ৩:৫৪ অপরাহ্ন

মার্কিন ঋণসীমা বাড়ানোর ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাজারের ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে, যার প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে। ফলে কয়েক দফা বাড়ার পর কমেছে গুরুত্বপূর্ণ এ জ্বালানির দাম। ভবিষ্যৎ সরবরাহ বাজারে ব্রেন্টের দাম দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৭৬ ডলার ৪৮ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।

উৎপাদনকারী দেশগুলো এর মধ্যে নানা ধরনের সিদ্ধান্ত পৃথকভাবে জানিয়েছে। অনেকেই মার্কিন সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিল। তবে দামবিষয়ক অনিশ্চয়তা ওপেক সম্মেলন শেষেই বোঝা যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটে (ডব্লিউটিআই) বা মার্কিন জ্বালানি আদর্শে তেলের দাম ৩২ সেন্ট কমে ব্যারেল প্রতি দাঁড়িয়েছে ৭২ ডলার ২৫ সেন্ট। যদিও মার্কিন ছুটির দিন হওয়ার কারণে কোনো স্থির সিদ্ধান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রধান জ্বালানি তেল ব্যবহারকারী দেশ। কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ঋণসীমা বাড়ানোর ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছিলেন।

বিপরীতে ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রিপাবলিকান স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি বিল পাস হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। যদিও দেশ অর্থনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা এ বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। ফিলিপ নোভার বিশ্লেষক প্রিয়াংকা সাচদেব বলেন, ‘রিপাবলিকান পার্টি ও আইনপ্রণেতাদের পক্ষ থেকে বৈপরীত্যপূর্ণ বিবৃতি বিনিয়োগকারীদের দ্বিধাগ্রস্ত করে রেখেছে।’

ঋণের শেষ তারিখ ছিল ৪ জুন, যা কাকতালীয়ভাবে ওপেকভুক্ত দেশ ও তাদের মিত্রদের সম্মেলনের দিন। ওপেক ও তাদের মিত্রদের একসঙ্গে ওপেক প্লাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দাম কিছুটা নিচে আসার প্রতিক্রিয়ায় তারা কি তাদের উৎপাদন স্থির রাখবে নাকি বাড়াবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি।

সম্প্রতি ফুজিতোমি সিকিউরিটিজ কোম্পানি লিমিটেডের বিশ্লেষক তোশিতাকা তাজাওয়া বলেছেন, ‘‌বিনিয়োগকারীরা তাদের মনোযোগ সরিয়ে নিয়েছেন। অপেক্ষা করছেন অপেক প্লাসের অধিবেশন থেকে ঘোষিত সিদ্ধান্তের। কারণ এখন পর্যন্ত উৎপাদনকারীদের পক্ষ থেকে নানা রকম সিদ্ধান্ত শোনা যাচ্ছে।’ এদিকে সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান গত সপ্তাহে সতর্ক করে দিয়েছিলেন জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়ার ব্যাপারে, যা ওপেক প্লাস সদস্যদের জ্বালানি তেল উৎপাদন কিছুটা কমিয়ে আনার পূর্বাভাস দেয়।

অবশ্য রাশিয়ার জ্বালানি তেলবিষয়ক মন্ত্রণালয় উৎপাদন পরিবর্তন না করার ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক। এপ্রিলে সৌদি আরব ও অন্যান্য সদস্য দেশ ঘোষণা করেছিল, জ্বালানি তেলের উৎপাদন আরো এক দফায় প্রতিদিন ১২ লাখ ব্যারেল কমিয়ে আনা হবে। ফলে সার্বিকভাবে উৎপাদন কমবে ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল। হাইতং সিকিউরিটিজের বিশ্লেষকরা বলেছেন, এপ্রিলে স্বেচ্ছা উৎপাদন ঐচ্ছিকভাবেই কমেছে। বিনিয়োগকারীরা বাড়তি সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। কেমন ঘোষণা আসে সেজন্য অপেক্ষায় তারা। চীনা উৎপাদনকারী ও পরিষেবা খাতের উপাত্তেও জ্বালানির চাহিদা সংকুচিত হওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর