ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীর তেমন কোনো রাজনৈতিক অবস্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি জোট প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব।
তিনি বলেন, পরাজিত ও ফ্যাসিবাদী শক্তির প্ররোচনায় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যেই বিভ্রান্তিকর অভিযোগ উত্থাপন করা হচ্ছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে সরাইল উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার পক্ষ থেকে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে পেশিশক্তি ও কালো টাকা ব্যবহারের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন জুনায়েদ আল হাবিব।
তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সব প্রার্থী শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক থাকায় প্রশাসনের কোনো হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়ছে না। প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব কিংবা পেশিশক্তি ও কালো টাকা ব্যবহারের অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে এলাকায় তার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা খুবই সীমিত থাকে। সেই বাস্তবতা থেকেই কিছু প্রার্থী নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে অযৌক্তিক অভিযোগ তুলছেন।
রুমিন ফারহানাকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে পুরো দেশের ৩০০টি আসন নিয়ে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো অভিযোগ তোলা যুক্তিযুক্ত নয়।
এ ধরনের বক্তব্য সাধারণত কোনো জাতীয় দলের প্রধানের কাছ থেকেই আসতে পারে। অন্য প্রার্থীরা যখন নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট, তখন এককভাবে অভিযোগ তোলার পেছনে পরাজিত শক্তির ইন্ধন রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
গণসংযোগকালে তিনি ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া শোনেন। পরে তিনি নির্বাচিত হলে অবহেলিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সার্বিক উন্নয়নে নিবেদিতভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন।
এ সময় তার সঙ্গে বিএনপি ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।