বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে ‘অ্যাগ্রেসিভ পুলিশিং’ করা হবে : র‍্যাব স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রুমিনের প্রশ্নে যা বললেন মির্জা ফখরুল দল নয়, দেশের জন্য কাজ করুন : সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও ১৭ বছরের ত্যাগ: ফতেপুরে আলোচনায় যুবনেতা আসাদ ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জের লেকে গোসল করতে নেমে দুই শিশু সহ একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু ক্রিকেটার নাসির-তামিমার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি: রায়ের আগে আসামিপক্ষের ‘নিশ্চিত খালাস’ প্রচারণায় জনমনে বিভ্রান্তির তীব্র নিন্দা শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা : রায় ঘোষণা আজ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জিয়াউর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠনের মহান স্থপতি : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী রায়ের আগেই ‘শতভাগ খালাস’ পাওয়ার দাবি: নাসির-তামিমা মামলা ঘিরে নতুন বিতর্ক, প্রশ্নের মুখে আগাম আত্মবিশ্বাস বিশ্বব্যাপী আরও বেড়েছে ইসরাইলবিরোধিতা পদোন্নতি না পেয়ে অবসরের আবেদন পুলিশ কর্মকর্তার ভর্তুকি মূল্যে সয়াবিন তেল বিক্রি করবে টিসিবি বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

সব ফলের দাম বেশি, কেজির বদলে এক-দুই পিস কিনছেন অনেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪, ৩:৫৯ অপরাহ্ন

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ছোঁয়া লেগেছে ফলের বাজারে। রমজান মাসে ফলের চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম নিয়ে একরকম অস্থিরতা চলছে। কেউ সিন্ডিকেটের দোষ দিচ্ছেন আর কেউ বেশি বেশি শুল্ক আরোপের দোহাই দিচ্ছেন।

শুক্রবার (২২ মার্চ) রাজধানীর বাসাবো, মাদারটেক ও টেম্পু স্ট্যান্ড ফল বাজার ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে বাজারে থাকা সব ধরনের ফলের দামই এখন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি। কোনো কোনো ফলের দাম কেবল রমজান উপলক্ষ্যে দ্বিগুণ হয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি পিস মাঝারি সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়। আপেল মানভেদে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। নাশপাতি ২৭০ টাকা, ছোট কমলা ২৫০ টাকা আর বড় কমলা কেজিপ্রতি ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডালিম ৩৫০ টাকা, আঙুর ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, কালো আঙুর ৪০০ টাকা, মাল্টা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, পেয়ারা ৬০ টাকা। এক হালি কলা বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৩০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত।

ফল কিনতে আসা আব্দুল আলিম মিয়া নামে এক ব্যক্তি বলেন, বৃদ্ধ মা রোজা রাখেন। তিনি ইফতারে একটু আপেল খান। বাচ্চারাও আপেল পছন্দ করে। কিন্তু ফলের যে দাম তাতে আর কিনে খাওয়ার উপায় নেই। আনার, নাশপাতি, আঙুর যা-ই কিনতে যাই অনেক দাম।

সজীব হাসান নামে একজন বলেন, প্রতিটি ফলের দাম বেশি। রমজানে যেহেতু বিক্রি বেশি দাম তো কমার কথা। কিন্তু সেটা হয় না। উল্টো দাম বেড়ে যায়। মন চাইলেও পছন্দের ফল কিনে খেতে পারছি না।

ফল বিক্রেতা হাফিজুর রহমান বলেন, ফলের দাম আসলেই অনেক বেশি। আড়ৎদাররা বলেন সরকার নাকি শুল্ক বাড়াইছে। দাম বেশি দেখে অনেকে দু’একটা ফল কেনেন, এক কেজি নিতে সাহস পান না। রমজানে ফলের দাম একটু কমলেই ভালো। কিন্তু সেটা তো আমাদের হাতে নেই। আমরা যে দামে কিনি তার চেয়ে সামান্য বেশিতে বিক্রি করি।

আরেক বিক্রেতা গাউসুল আজম বলেন, সবকিছু আসলে আড়ৎদারদের হাতে। তারাই দাম কমায়, তারাই বাড়ায়। এখানে আমাদের হাত নেই। আমরা ছোট ব্যবসায়ী, আমাদের এসব বলেও লাভ নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর