মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের সুযোগ নেই : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটি গঠন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডিতে ঢাকা মহানগর উত্তর আ’লীগের মিছিল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সাংবাদিক আলিফ হত্যা: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কি তবে মৃত্যুফাঁদ? ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে কেউ বিতর্কিত করবেন না : প্রধানমন্ত্রী ‘ইশরাকের জন্য আরও বড় দায়িত্বের পথও উন্মোচিত হতে পারে’ কুমিল্লায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়েছে, থানায় জিডি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে মার্কিন ভিসার আবেদন বাতিল হতে পারে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়: তথ্য উপদেষ্টা আজ জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২৭ ইসরায়েলি কূটনীতিককে বহিষ্কারের হুমকি যুক্তরাজ্যের

বাল্যবিবাহের অপরাধ আমলে নেওয়ার সময়সীমা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

বিশেষ প্রতিবেদক
আপডেট : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৩ অপরাহ্ন
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। (ছবি: সংগৃহীত)

দুই বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিবাহের অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত বাধা কেন অসাংবিধানিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে ২ বছর সময়সীমার পরে বাল্যবিবাহের অপরাধ আমলে গ্রহণে আইনগত বাধা কেন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রোববার (২ নভেম্বর) বিচারপতি কাজী জিনাত হক এবং বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট তানজিলা রহমান।

এর আগে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ধারা ১৮-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, বাল্যবিবাহ সংঘটনের দুই বছর পর কোনো অভিযোগ আদালত আমলে নিতে পারবে না।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, বাল্যবিবাহের শিকার শিশুরা প্রায়ই অল্পবয়সী ও মানসিকভাবে অসহায় থাকে। তারা তখন অভিযোগ জানাতে পারে না। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর যখন বিচার চায়, তখন এই ১৮ ধারা তাদের পথ রুদ্ধ করে দেয়। এটি রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার প্রদানের দায়িত্বের পরিপন্থি। এটি এমন একটি আইনি বাধা যা বাস্তবে অপরাধীকে রক্ষা করে এবং ভুক্তভোগীকে বঞ্চিত করে। এটি সংবিধানের ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আইনের সমান সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের পরিপন্থি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর