শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে প্রধানমন্ত্রীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন আজ থেকে চালু ভারতের টুরিস্ট ভিসা, আবেদন করবেন যেভাবে ছয় দিনের প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী মাদক প্রতিরোধে দুই পুরস্কার পেল ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনমিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বেসামরিক শাখায় ৫৪৮ নিয়োগ এই সেই আমার বান্ধবীরা: পূর্ণিমা বিরোধী দলের মধ্যেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে: রিজভী চার মোবাইল অপারেটরের কাছে ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪ জন আটক নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আ. লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম হজের খরচ কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা : রায় ঘোষণা আজ

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৯:০৮ পূর্বাহ্ন
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাটি দেশের বিচার ব্যবস্থায় বিরল এক নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে। ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মামলাটি রায় ঘোষণার পর্যায়ে পৌঁছেছে।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে, ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় দেবেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার অগ্রগতির দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশের প্রচলিত বিচারিক বাস্তবতায় যেখানে একটি হত্যা কিংবা ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়, সেখানে রামিসা হত্যা মামলায় প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে দ্রুততম সময়ে। মামলা দায়েরের চার দিনের মধ্যেই তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এরপর দ্রুত অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি সম্পন্ন হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৯ মে। পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্ত শেষে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

মামলার শুনানিকালে আদালতে ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের বর্ণনায় উঠে আসে ঘটনার ভয়াবহতা। পরে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়ে দুই আসামিই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়।

আইন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো স্পর্শকাতর মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে। তদন্তকারী সংস্থা, প্রসিকিউশন ও আদালতের সমন্বিত উদ্যোগের কারণেই স্বল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর