শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সাংবাদিক আলিফ হত্যা: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কি তবে মৃত্যুফাঁদ? ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে কেউ বিতর্কিত করবেন না : প্রধানমন্ত্রী ‘ইশরাকের জন্য আরও বড় দায়িত্বের পথও উন্মোচিত হতে পারে’ কুমিল্লায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়েছে, থানায় জিডি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে মার্কিন ভিসার আবেদন বাতিল হতে পারে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়: তথ্য উপদেষ্টা আজ জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২৭ ইসরায়েলি কূটনীতিককে বহিষ্কারের হুমকি যুক্তরাজ্যের ‘সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার’ পিজিডি-এইচআরএম কোর্সে অনন্য কৃতিত্বের সাথে ৩.৮৩ সিজিপিএ পেলেন প্রভাষক রেজাউল হায়াত শান্ত মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপের নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা : রায় ঘোষণা আজ

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৯:০৮ পূর্বাহ্ন
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাটি দেশের বিচার ব্যবস্থায় বিরল এক নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে। ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মামলাটি রায় ঘোষণার পর্যায়ে পৌঁছেছে।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে, ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় দেবেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার অগ্রগতির দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশের প্রচলিত বিচারিক বাস্তবতায় যেখানে একটি হত্যা কিংবা ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়, সেখানে রামিসা হত্যা মামলায় প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে দ্রুততম সময়ে। মামলা দায়েরের চার দিনের মধ্যেই তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এরপর দ্রুত অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি সম্পন্ন হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৯ মে। পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্ত শেষে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

মামলার শুনানিকালে আদালতে ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের বর্ণনায় উঠে আসে ঘটনার ভয়াবহতা। পরে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়ে দুই আসামিই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়।

আইন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো স্পর্শকাতর মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে। তদন্তকারী সংস্থা, প্রসিকিউশন ও আদালতের সমন্বিত উদ্যোগের কারণেই স্বল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর