রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ইরান ইস্যুতে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মনোনয়ন গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬ষ্ঠ দিনের আপিল শুনানি চলছে আপিল দায়েরে ইসির ৭ নির্দেশনা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ১৫ জানুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে মাধ্যমিকের সব বই পৌঁছাবে: এনসিটিবি অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার সময় ২৭৩ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী ‘রোডম্যাপ অনুসারে বিচার বিভাগকে এগিয়ে নেওয়া হবে’ ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট বললেন, ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট মাদুরো বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ দেশে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় পৌনে ৮ লাখ প্রতিষ্ঠান দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও নিজেই আতিথেয়তা করেন খালেদা জিয়া : হামিন আহমেদ প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে তারেক রহমানের ধন্যবাদ মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তির নতুন সময়সূচি ঘোষণা শীত নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস ‘আজই এনআইডি পাবেন তারেক রহমান’

আশা করি দ্রুত জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন হবে : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৫:৪৮ অপরাহ্ন

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পরাজিত করে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আমরা বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক, আধুনিক রাষ্ট্র ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে পাক-হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, বৈজ্ঞানিক এবং সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। ১৯৭১ সালে আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছিল একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য। এটি হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আজ আমরা সবাই মিলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মাগফিরাত কামনা করছি।
খুব দ্রুত জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা হবে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সব সময় আশাবাদী। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আমরা সহযোগিতা করছি। আশা করি, খুব দ্রুত জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা হবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাবে।
এ সময় আরও ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান,অধ্যাপক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়াপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আবদুশ সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, শামীমুর রহমান শামীম, মাহবুবুল ইসলাম মাহবুব, মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্য সচিব মোস্তাফা জামান, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহীদুল ইসলাম বাবুল, মৎস্যজীবী দলের আবদুর রহিম, ছাত্রদলের রাকিবুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন নাছিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর