বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জ্ঞানহীন উপদেষ্টাদের ভুলের খেসারত দিচ্ছেন ঈদযাত্রায় মানুষের সেবা ও যানজট নিরসনে শ্রমিকদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে : শিমুল বিশ্বাস ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ডিএসসিসি’র তৎপরতা, সায়েদাবাদে অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত আজ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ : শামা ওবায়েদ জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী নতুন নেতৃত্বে ইসরাইলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান নতুন নেতা মোজতবা খামেনিকে স্বাগত জানাল ইরানের নাগরিকরা ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা বনাম জনকল্যাণ: বিনিয়োগের আড়ালে কার স্বার্থ রক্ষা হলো? ৫ মার্চ পর্যন্ত কাতার-দুবাইসহ বিমানের ছয় রুটের সব ফ্লাইট বাতিল অভিনন্দন সম্বলিত বিলবোর্ড-ব্যানার দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরানে পাঁচশর বেশি জায়গায় হামলায় নিহত বেড়ে প্রায় ৮০০ ‘বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক ভারত’

বিএনপি প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন চায়: সালাহউদ্দিন আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
বুধবার সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ কথা বলেন। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ আজ বলেছেন, বিএনপি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন চায়।

আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠকে আলোচনা কালে তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা কে উদ্দেশ্য করে সালাহউদ্দিন আরো বলেন, “আমাদের ধারাবাহিক সমর্থন আপনার প্রতি ছিল, আছে। কিন্তু এটা সীমাহীন নয়, এটা শর্তসাপেক্ষ…. আমাদের আপনাকে সমর্থন দেয়া অব্যাহত থাকবে, তবে আমরা চাই আপনার নেতৃত্বে একটা ঐতিহাসিক নির্বাচন- আর এটাই হচ্ছে আমাদের কন্ডিশন।”

তিনি আরো বলেন, আমাদের সীমারেখা আছে। আমরা গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য এই সীমারেখার মধ্যে আপনাকে সমর্থন দিচ্ছি।

সালাহউদ্দিন বলেন, “আমরা নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনোরকম ঝামেলার মধ্যে যেতে চাই না, পতিত স্বৈরাচার এবং তাদের দোসর এই সুযোগ নেয়ার জন্য বসে থাকবে। প্রতিশ্রুত সময়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবশ্যই নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। যার কোনো বিকল্প নাই এই জাতির সামনে। ”

তিনি বলেন, এমন একটা পরিবেশ আমাদের বজায় রাখতে হবে, যে পরিবেশে আমরা কথিত স্বৈরাচারকে আর কখনো এখানে সুযোগ নিতে দেব না। দীর্ঘদিন অনির্বাচিত অবস্থায় একটা সরকার পরিচালিত হলে অনেক সমস্যা উৎপত্তি হয়। সেজন্য আমরা বারবার বলছিলাম যত শিগগিরই সম্ভব নির্বাচিত একটি রাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়া দরকার। তা না হলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ সমস্ত অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে যা কিছু দেখা হয়েছে, সেই সমস্ত পূর্বলক্ষণ এদেশেও উৎপত্তি হবে। তাই এখন নির্বাচন বিলম্বিত হলে আরও বেশি সমস্যার উদ্ভবের সম্ভাবনা বিস্তর।

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের জন্য অপেক্ষায় আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে যে সমস্ত বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেয়া হয়েছে, সেই বিষয়গুলোতে মতামত দেয়ার জন্য তো উপদেষ্টা আপনি ঐকমত্য কমিশনের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। যদি এখানে কোনো ‘নোট অব ডিসেন্ট’ না-ই দেওয়া হতো, কিছু কিছু বিষয় অনৈক্য না-ই হতো তাহলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন থেকে যে সমস্ত প্রস্তাব দেয়া হতো সবাই একমত হয়ে যেতাম। আমরা চাই সনদে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ কারা দিয়েছেন এ বিষয়ে স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সবাইকে বাস্তবতার নিরিখে পদক্ষেপটা নিতে হবে।

এসময় তিনি রাজনৈতিক দলসমূহ যে সমস্ত বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করতে পারবে সেগুলো সংকলিত হয়ে একটা জাতীয় সনদ হবে বলে তাঁর আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আজ সন্ধ্যা ছয়টা ২৫ মিনিটে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী সাংবাদিক মনির হায়দার।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐক্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ ও কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া।

সালাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে এ বৈঠকে বিএনপি’র পক্ষ থেকে আরো যোগ দেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বৈঠকে বিএনপি ছাড়াও জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, জেএসডি (রব), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর