নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক ও সমাজসেবক আসাদুজ্জামান আসাদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি একটি পরিচিত ও আলোচিত নাম।
স্থানীয়দের মতে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন আসাদুজ্জামান আসাদ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তার সহকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এসব প্রতিকূলতা তার রাজনৈতিক আদর্শ ও জনসেবার মানসিকতাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি।
বিশেষ করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন নানা অনিয়ম ও বিতর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, তখন স্থানীয় পর্যায়ে আসাদুজ্জামান আসাদের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অভিযোগ বা বিতর্ক সামনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তার সমর্থকরা।
পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্ররাজনীতি থেকে। এক সময় তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি তরুণদের মাঝে নেতৃত্বের গুণাবলি প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করে বর্তমানে তিনি আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। বিভিন্ন সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, মানুষের কল্যাণের মাধ্যম। দীর্ঘদিন মানুষের সঙ্গে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছি। সুযোগ পেলে ফতেপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে আসাদুজ্জামান আসাদ ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তাকে একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফতেপুর ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কয়েকটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম আসাদুজ্জামান আসাদ। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ততার এই পথচলা তাকে কতটা জনসমর্থনের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।”