শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী মোটরসাইকেল মালিকদের থেকে অগ্রিম আয়কর যেভাবে আদায় করা হবে গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির আট দিনব্যাপী কর্মসূচি হেপাটাইটিস এ-তে আক্রান্ত ডিজে সনিকা মির্জা আব্বাসের সুস্থতাকে বিষ্ময়কর হিসেবে দেখছেন ডাক্তাররা : আফরোজা আব্বাস ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট চাঁদপুরে বিশাল জনসভা: বিভিন্ন সংগঠনের যোগদান, খাল খনন কর্মসূচি ও ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন দেশ পুনর্গঠনই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা : প্রধানমন্ত্রী ফ্রিজে কাটা তরমুজ রাখলে মানতে হবে যেসব নিয়ম স্থায়ী জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর, নেই বিদেশে যেতে বাধা জ্বালানি সংকট সমাধান ছাড়া বিদেশি বিনিয়োগে আস্থা ফিরবে না: বিডা চেয়ারম্যান মোটরসাইকেল চালকদের জন্য দুঃসংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মা-মেয়ে মাধ্যমিক পাশ, ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন মা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪, ১:১১ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের সদস্য মোছা. নুরুন্নাহার বেগম ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার দুজনই এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। মা-মেয়ে একসঙ্গে এবারের পরীক্ষায় পাস করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তবে ফলাফলে মেয়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন মা নুরুন্নাহার।

গত রবিবার (১২ মে) প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মেয়ে নাসরিন চাতলপাড় ওয়াজউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ ২ দশমিক ৬৭ পেয়েছেন। নুরুন্নাহার একই বিদ্যালয়ের কারিগরি (ভোকেশনাল) শাখা থেকে জিপিএ ৪ দশমিক ৫৪ পেয়েছেন।

মা ও মেয়ের একসঙ্গে পাস করার ঘটনা এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সবাই নুরুন্নাহারের প্রশংসা করছেন। ৪৪ বছর বয়সে নুরুন্নাহার পরীক্ষা দিয়ে এসএসসি পাস করেন। এমন খবরে বেশ খুশি নুরুন্নাহারও। তার পরিবারেও বইছে আনন্দের বন্যা। স্বজনরা ছুটে আসছেন তার বাড়িতে।

নুরুন্নাহার বেগম জানান, অনেক বিপত্তি পেরিয়ে তার এই এগিয়ে চলা। তিনি আরও পড়তে চান।

নুরুন্নাহার বেগম দৈনিক নয়াকন্ঠকে বলেন, ‘অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বিয়ে হয়ে যায়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছিলেন বেশ রক্ষণশীল। এ অবস্থায় পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। একপর্যায়ে পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হই। এ নিয়ে টানা দুবার মেম্বার। সবার অনুমতি নিয়ে আবার পড়াশোনা চালু করি। কেননা লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি।’

নিজের দুই সন্তানকেও পড়ালেখা শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। পড়াশোনার কোনো বয়স নেই বলে মনে করেন নুরুন্নাহার বেগম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর