বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভিশন তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ জ্বালানি খাতে শেভরনের আরও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি ঢাকা উত্তর সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থী আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন বিদ্যুৎ সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে মনে হচ্ছে : রিজভী ওমেন্স ফান্ড এশিয়া লিগ্যাল ফেলোশিপ পেলেন বাংলাদেশী আইনজীবী ইফাত হাসান শাম্মি অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে প্রধানমন্ত্রীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের ২১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন আজ থেকে চালু ভারতের টুরিস্ট ভিসা, আবেদন করবেন যেভাবে ছয় দিনের প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী মাদক প্রতিরোধে দুই পুরস্কার পেল ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনমিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বেসামরিক শাখায় ৫৪৮ নিয়োগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মা-মেয়ে মাধ্যমিক পাশ, ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন মা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪, ১:১১ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের সদস্য মোছা. নুরুন্নাহার বেগম ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার দুজনই এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। মা-মেয়ে একসঙ্গে এবারের পরীক্ষায় পাস করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তবে ফলাফলে মেয়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন মা নুরুন্নাহার।

গত রবিবার (১২ মে) প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মেয়ে নাসরিন চাতলপাড় ওয়াজউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ ২ দশমিক ৬৭ পেয়েছেন। নুরুন্নাহার একই বিদ্যালয়ের কারিগরি (ভোকেশনাল) শাখা থেকে জিপিএ ৪ দশমিক ৫৪ পেয়েছেন।

মা ও মেয়ের একসঙ্গে পাস করার ঘটনা এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সবাই নুরুন্নাহারের প্রশংসা করছেন। ৪৪ বছর বয়সে নুরুন্নাহার পরীক্ষা দিয়ে এসএসসি পাস করেন। এমন খবরে বেশ খুশি নুরুন্নাহারও। তার পরিবারেও বইছে আনন্দের বন্যা। স্বজনরা ছুটে আসছেন তার বাড়িতে।

নুরুন্নাহার বেগম জানান, অনেক বিপত্তি পেরিয়ে তার এই এগিয়ে চলা। তিনি আরও পড়তে চান।

নুরুন্নাহার বেগম দৈনিক নয়াকন্ঠকে বলেন, ‘অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বিয়ে হয়ে যায়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছিলেন বেশ রক্ষণশীল। এ অবস্থায় পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। একপর্যায়ে পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হই। এ নিয়ে টানা দুবার মেম্বার। সবার অনুমতি নিয়ে আবার পড়াশোনা চালু করি। কেননা লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি।’

নিজের দুই সন্তানকেও পড়ালেখা শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। পড়াশোনার কোনো বয়স নেই বলে মনে করেন নুরুন্নাহার বেগম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর