রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের সুযোগ নেই : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটি গঠন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকারকারীদের পাকিস্তান চলে যেতে বললেন ফজলুর রহমান জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডিতে ঢাকা মহানগর উত্তর আ’লীগের মিছিল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সাংবাদিক আলিফ হত্যা: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কি তবে মৃত্যুফাঁদ? ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে কেউ বিতর্কিত করবেন না : প্রধানমন্ত্রী ‘ইশরাকের জন্য আরও বড় দায়িত্বের পথও উন্মোচিত হতে পারে’ কুমিল্লায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়েছে, থানায় জিডি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে মার্কিন ভিসার আবেদন বাতিল হতে পারে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়: তথ্য উপদেষ্টা আজ জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২৭ ইসরায়েলি কূটনীতিককে বহিষ্কারের হুমকি যুক্তরাজ্যের

লোকসংগীত নিয়ে লড়ছেন অণিমা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০২৩, ১:২৬ পূর্বাহ্ন

শিল্প-সংস্কৃতিতে বাংলাদেশের ঐতিহ্য অনেক সমৃদ্ধি। ইতিহাস সমৃদ্ধ হলেও এর কদর খুব একটা নেই। বিশেষ করে লোকসংগীত শিল্পীরা অনেক সময়ই প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হন। এরপরও অনেকে দেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতিকে ভালোবেসে লোকসংগীতের জন্য লড়ে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে অন্যতম অণিমা মুক্তি গোমেজ।

লোকসংগীতে তার দীর্ঘ লড়াইয়ের স্বীকৃতি পেয়েছেন মঙ্গলবার (৮ আগস্ট)। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদকে শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে সম্মাননা পেয়েছেন এই লোক শিল্পী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পদক পেয়ে নিজের কাজের প্রতি আরও বেশি দায়িত্ববান হতে চান অণিমা।

তিনি বলেন, ‘যে কোনো স্বীকৃতি আনন্দের এবং প্রাপ্তির পাশাপাশি দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। আজ থেকে আমার দেশের প্রতি আরও বেশি নিবেদিত হয়ে কাজ করতে হবে।’

আব্বাস উদ্দিন, ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর সান্নিধ্য পেয়েছেন অণিমা। লোকসংগীতকে বিকশিত করতে বাকি জীবন কাটাতে চান। তার কথায়, ‘আমার শুরুটা রবীন্দ্র সঙ্গীত দিয়ে হলেও পরবর্তীতে লোকসংগীতে থিতু হই। গত তিন দশকের বেশি সময় লোকসংগীত গেয়ে যাচ্ছি এবং লোক শিল্পী তৈরির চেষ্টা করছি। বাকি জীবন লোকসংগীতের সঙ্গেই কাটাতে চাই।’

সঙ্গীত একটি সাধনার বিষয়। অণিমার স্বামী রঞ্জিত কুমার দাস স্ত্রীর সাধনা খুব কাছ থেকে দেখছেন।

স্ত্রীর সাধনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘খেলার মতো গানও অনুশীলনের বিষয়। সে এখন অনেক সিনিয়র শিল্পী। কিন্তু এখনো প্রতিনিয়ত নিয়ম করে রেওয়াজ করে নতুন শিল্পীদের মতোই। তার এই নিবেদনের স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা পুরো পরিবার গর্বিত।’

লোকসংগীতের অনেক প্রকারভেদ রয়েছে। কিন্তু অণিমার জনপ্রিয়তা মূলত ভাওয়াতেই। ঢাকায় বেড়ে ওঠা অণিমার কণ্ঠে উত্তরাঞ্চলের ভাওয়াই রপ্ত করাটা একটু চ্যালেঞ্জই ছিল। তার কথায়, ‘আমি ঢাকার মেয়ে হয়ে উত্তরাঞ্চলের ভাষার গান শুরু করা একটু চ্যালেঞ্জ ছিল। অনেক সাধনার মাধ্যমে করেছি।’

বেগম মুজিব পদকের আগে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক পুরস্কারই পেয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনন্যা অ্যাওয়ার্ড, মিউজিক্যাল অ্যাওয়ার্ড অফ কালচারাল রিপোর্টার ইউনিটি, ত্রিপুরা লোকসংগীত পুরস্কার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর