মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নারী-কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ : শামা ওবায়েদ জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী নতুন নেতৃত্বে ইসরাইলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো ইরান নতুন নেতা মোজতবা খামেনিকে স্বাগত জানাল ইরানের নাগরিকরা ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা বনাম জনকল্যাণ: বিনিয়োগের আড়ালে কার স্বার্থ রক্ষা হলো? ৫ মার্চ পর্যন্ত কাতার-দুবাইসহ বিমানের ছয় রুটের সব ফ্লাইট বাতিল অভিনন্দন সম্বলিত বিলবোর্ড-ব্যানার দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরানে পাঁচশর বেশি জায়গায় হামলায় নিহত বেড়ে প্রায় ৮০০ ‘বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক ভারত’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দায়ের করা মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীন সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা সব বাহিনীর প্রধানদের নিয়ে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মা-মেয়ে মাধ্যমিক পাশ, ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন মা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪, ১:১১ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের সদস্য মোছা. নুরুন্নাহার বেগম ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার দুজনই এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। মা-মেয়ে একসঙ্গে এবারের পরীক্ষায় পাস করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তবে ফলাফলে মেয়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন মা নুরুন্নাহার।

গত রবিবার (১২ মে) প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মেয়ে নাসরিন চাতলপাড় ওয়াজউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ ২ দশমিক ৬৭ পেয়েছেন। নুরুন্নাহার একই বিদ্যালয়ের কারিগরি (ভোকেশনাল) শাখা থেকে জিপিএ ৪ দশমিক ৫৪ পেয়েছেন।

মা ও মেয়ের একসঙ্গে পাস করার ঘটনা এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সবাই নুরুন্নাহারের প্রশংসা করছেন। ৪৪ বছর বয়সে নুরুন্নাহার পরীক্ষা দিয়ে এসএসসি পাস করেন। এমন খবরে বেশ খুশি নুরুন্নাহারও। তার পরিবারেও বইছে আনন্দের বন্যা। স্বজনরা ছুটে আসছেন তার বাড়িতে।

নুরুন্নাহার বেগম জানান, অনেক বিপত্তি পেরিয়ে তার এই এগিয়ে চলা। তিনি আরও পড়তে চান।

নুরুন্নাহার বেগম দৈনিক নয়াকন্ঠকে বলেন, ‘অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বিয়ে হয়ে যায়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছিলেন বেশ রক্ষণশীল। এ অবস্থায় পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারিনি। একপর্যায়ে পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হই। এ নিয়ে টানা দুবার মেম্বার। সবার অনুমতি নিয়ে আবার পড়াশোনা চালু করি। কেননা লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি।’

নিজের দুই সন্তানকেও পড়ালেখা শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। পড়াশোনার কোনো বয়স নেই বলে মনে করেন নুরুন্নাহার বেগম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর