রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা : রায় ঘোষণা আজ তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জিয়াউর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠনের মহান স্থপতি : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী রায়ের আগেই ‘শতভাগ খালাস’ পাওয়ার দাবি: নাসির-তামিমা মামলা ঘিরে নতুন বিতর্ক, প্রশ্নের মুখে আগাম আত্মবিশ্বাস বিশ্বব্যাপী আরও বেড়েছে ইসরাইলবিরোধিতা পদোন্নতি না পেয়ে অবসরের আবেদন পুলিশ কর্মকর্তার ভর্তুকি মূল্যে সয়াবিন তেল বিক্রি করবে টিসিবি বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী মোটরসাইকেল মালিকদের থেকে অগ্রিম আয়কর যেভাবে আদায় করা হবে গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির আট দিনব্যাপী কর্মসূচি হেপাটাইটিস এ-তে আক্রান্ত ডিজে সনিকা

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা : রায় ঘোষণা আজ

ডেস্ক রিপোর্ট
আপডেট : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৯:০৮ পূর্বাহ্ন
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাটি দেশের বিচার ব্যবস্থায় বিরল এক নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে। ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মামলাটি রায় ঘোষণার পর্যায়ে পৌঁছেছে।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে, ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় দেবেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার অগ্রগতির দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশের প্রচলিত বিচারিক বাস্তবতায় যেখানে একটি হত্যা কিংবা ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়, সেখানে রামিসা হত্যা মামলায় প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে দ্রুততম সময়ে। মামলা দায়েরের চার দিনের মধ্যেই তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এরপর দ্রুত অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি সম্পন্ন হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৯ মে। পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্ত শেষে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

মামলার শুনানিকালে আদালতে ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের বর্ণনায় উঠে আসে ঘটনার ভয়াবহতা। পরে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পেয়ে দুই আসামিই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়।

আইন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো স্পর্শকাতর মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে। তদন্তকারী সংস্থা, প্রসিকিউশন ও আদালতের সমন্বিত উদ্যোগের কারণেই স্বল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর