শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
পিজিডি-এইচআরএম কোর্সে অনন্য কৃতিত্বের সাথে ৩.৮৩ সিজিপিএ পেলেন প্রভাষক রেজাউল হায়াত শান্ত মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপের নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক হজ নিবন্ধনের সময় শেষের পথে, পূরণ হচ্ছে না কোটা অনলাইনে হুংকার দিয়ে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘে খামেনির ছবি তুলে ধরলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট “আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?” জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভিশন তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ জ্বালানি খাতে শেভরনের আরও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে অনুমতি পেল ৭০২ এজেন্সি ঢাকা উত্তর সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থী আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন বিদ্যুৎ সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে মনে হচ্ছে : রিজভী

ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব না দিলে ৭ বছরের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে হিসাব দাখিল না করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) একটি পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ (১) অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী এজেন্টকে ফরম-২২ অনুযায়ী এফিডেভিটসহ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করতে হবে। যেসব প্রার্থী নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তাদের ক্ষেত্রে প্রার্থী নিজেই নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবেন।

নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর ৩১ বিধি অনুসারে ব্যয়ের হিসাবের সঙ্গে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাও জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনুযায়ী ফরম-২২ক, ২২খ ও ২২গ ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে।

পরিপত্রে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বিজয়ী ও পরাজিত—সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকেই নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এমনকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থী এবং যেসব প্রার্থীর নির্বাচনে কোনো ব্যয় হয়নি, তাদেরও নির্ধারিত ফরমে তা উল্লেখ করে হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন যথাযথভাবে দাখিল না করলে বা এ সংক্রান্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ওই অপরাধে দোষী হলে ন্যূনতম দুই বছর ও সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন। নির্বাচনের বিরুদ্ধে মামলা না থাকলে অপরাধ সংঘটনের ছয় মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে। আর হাইকোর্ট বিভাগে নির্বাচনসংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন থাকলে আদালতের আদেশের তিন মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না।

এ ছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৪৪ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনী ব্যয়ের সম্ভাব্য তহবিলের উৎস, ব্যয়ের রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট দলিল-দস্তাবেজ রিটার্নিং কর্মকর্তা এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করবেন বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর