শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে মার্কিন ভিসার আবেদন বাতিল হতে পারে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়: তথ্য উপদেষ্টা আজ জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২৭ ইসরায়েলি কূটনীতিককে বহিষ্কারের হুমকি যুক্তরাজ্যের ‘সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার’ পিজিডি-এইচআরএম কোর্সে অনন্য কৃতিত্বের সাথে ৩.৮৩ সিজিপিএ পেলেন প্রভাষক রেজাউল হায়াত শান্ত মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপের নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক হজ নিবন্ধনের সময় শেষের পথে, পূরণ হচ্ছে না কোটা অনলাইনে হুংকার দিয়ে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘে খামেনির ছবি তুলে ধরলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট “আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?”

বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধের দাবিতে জাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৪:১৬ অপরাহ্ন

সারা দেশে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যা’ এবং মব জাস্টিস বন্ধসহ চার দফা দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় নতুল কলা ভবন সংলগ্ন মহুয়াচত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক ঘুরে শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের বাকী দাবিগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ৩৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীম মোল্লা হত্যার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, নিরাপত্তা শাখায় কলাপসিবল গেইটের তালা ভেঙে শামীম মোল্লাকে মারধরের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত নিরাপত্তা শাখা ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের ভূমিকা তদন্ত করতে হবে এবং গত ১৫ ও ১৭ জুলাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের নামে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা করতে হবে।
মানববন্ধনে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব জামানের সঞ্চালনায় বিভাগের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।
এসময় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগি সামিয়া বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ থেকে স্বৈরাচারের পতন হয়ে বাংলাদেশ নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। এই শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বেই এদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও প্রতিষ্ঠা হবে বলে দেশবাসীর আশা। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় যদি মব জাস্টিসের কারণে মানুষের মৃত্যু হয় তাহলে সেই আশা ব্যাহত হয়। যারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চর্চা করেছে তাদের দ্বারাই এই মব জাস্টিস হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা এখনো মাঠ ছেড়ে চলে যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ যদি সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতে চায় এবং প্রশাসন যদি তার প্রশ্রয় দেয় তাহলে তাহলে আমরা আবারও আন্দোলন গড়ে তুলব। দেশের জনতার আকাঙ্ক্ষাকে আমরা ধারণ করি। এজন্য মাঠে ছিলাম, মাঠেই থাকব।
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্বল প্রশাসনের কারণে ছাত্রলীগ বিগত বছরগুলোতে দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজি, মাদক বাণিজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তোফাজ্জলকে দফায় দফায় পিটানো হয়েছে কিন্তু প্রশাসন সেখানে হাজির হয়নি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রক্টর অফিসে একজন মানুষকে দফায় দফায় মারা হলো কিন্তু প্রশাসন কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেনি। আমরা হুশিয়ারি দিতে চাই, প্রশাসন যদি সন্ত্রাসদের বিরুদ্ধে কঠিন প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিতে পারে তাহলে আমরা প্রশাসনের দায়িত্ব নেব।’
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আ.র.ক রাসেল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শামীম মোল্লাকে যে মব জাস্টিস মেরেছে তারা পুলিশের কাছে তুলে দিতে পারতো। কিন্তু তারা তা করেনি। কয়েক দফায় মারের পর তারা প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে তুলে দিয়েছে সত্য কিন্তু প্রক্টর অফিসে নিরাপত্তা কর্মীদের উপস্থিতিতে তার ওপর (শামীম মোল্লা) নির্মম অত্যাচার করা হয়। নিরাপত্তা অফিসের তালা ভেঙে যখন তাকে হত্যা চেষ্টা করা হয়, মারধর করা হয় তখন প্রক্টর অফিসের কর্মকর্তারা কোথায় ছিলেন? দেশের আইন অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায়, নিরাপত্তা শাখায় হেফাজতে থাকা অবস্থায় যারা কারো যদি মৃত্যু হয় তাহলে যারা মারছে তাদের পাশাপাশি ওই হেফাজতকর্মীদেরও দায় দায় থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা যিনি হত্যা মামলার আসামি তার দায়িত্ব পালনকালে তার উপস্থিততে শামীম মোল্লার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে। তিনি বলছেন, “বাধা দিয়েছিলেন” তাহলে মানুষ মারা গেলো কেনো?’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর